Friday April 2026

হটলাইন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৩ এ ১০:৫৬ PM

এক নজরে

কন্টেন্ট: পাতা

এক নজরে পাট অধিদপ্তর

পাট বাংলাদেশের প্রধান অর্থকরী ফসল। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় এক চতুর্থাংশ প্রত্যক্ষ পরোক্ষভাবে পাট এবং পাট শিল্পের সাথে জড়িত। জাতীয় রপ্তানি আয়ে পাট খাতের অবস্থান দ্বিতীয় এবং জিডিপির শতকরা হার ২.৮০। আর্থ সামাজিক প্রেক্ষাপটে পাট খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

১। পাট অধিদপ্তরের রূপকল্প (Vission) এবং অভিলক্ষ্য (Mission)t

রূপকল্প (Vission): প্রতিযোগিতা সক্ষম টেকসই পাটখাত।

অভিলক্ষ্য (Mission): পাটচাষী, পাটকল ও ব্যবসায়ীদেরকে সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে পাট ও পাটজাত পণ্যের ব্যবহার ও ব্যবসা সম্প্রসারণ।

২। পাট অধিদপ্তরের পরিচিতিঃ

পাট ও পাটজাত পণ্য উৎপাদন, পাট ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ এবং পাটের বৈদেশিক বাণিজ্য তদারকির জন্য ১৯৫৩ সালে গঠিত জুট বোর্ড ১৯৭৩ সালে বিলুপ্ত করে পাট বিভাগ সৃষ্টি হয়। ১৯৭৬ সালে পাট মন্ত্রণালয় ও সংযুক্ত দপ্তর হিসেবে পাট পরিদপ্তর সৃষ্টি হয়। ১৯৭৮ সালে পাট ও পাটপণ্য পরিদর্শন পরিদপ্তর সৃষ্টি হয় এবং ১৯৯২ সালে পরিদপ্তর দু’টিকে একীভূত করে পাট অধিদপ্তর গঠিত হয়। পাট অধিদপ্তরের অনুমোদিত জনবল ছিল ৪৯৪ জন২০১১ সালে আইটি সেলের জন্য ০৭ টি পদ বিলুপ্ত করে নতুন ০৬টি পদ সৃজিত হয়। পরবর্তীতে সমাপ্ত উন্নয়ন প্রকল্পের ১২১ সংখ্যক জনবল অস্থায়ীভাবে রাজস্বখাতে স্হানান্তরিত হয়। বর্তমানে পাট অধিদপ্তরের অনুমোদিত মোট জনবল ৬০৪।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন